জোর করে নৌকা ও ঘুড়ি মার্কায় সিল, ৪৫ ব্যালট বাতিল

khulana election corruption
২২ নম্বর ওয়ার্ডের ফাতিমা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করেছেন নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা। আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে সকাল সোয়া নয়টার দিকে ৪০ থেকে ৫০ জন যুবক এই কেন্দ্রের এক নম্বর বুথে জোর করে ঢুকে নৌকা ও ঘুড়ি প্রতীকে সিল মারা শুরু করেন। এরপর ওই বুথের ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়। খবর পেয়ে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু সেখানে যান । তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

ওই বুথের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রিতেশ বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘৪০ থেকে ৫০ জন যুবক জোর করে ঢুকে প্রায় ৪৫টি ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে দিয়েছে। আমি আনসার ও পুলিশ ডেকেও তাদের ঠেকাতে পারিনি।’ তিনি জানান, এই বুথে এর আগে ৫৫টি ভোট গ্রহণ করা হয়।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে এই তথ্য জেনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াউল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এ ঘটনাটি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।’ এই ব্যালটগুলো বাতিল করে দেওয়া হবে বলে মঞ্জুকে জানান তিনি।

এদিকে কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর অবস্থানকালে বাইরে নৌকার সমর্থেরা জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা নজরুল ইসলাম মঞ্জুর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন। এই বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন ঘুড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠুই ছিল। তিনি এসে গ্যাঞ্জাম শুরু করছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু নৌকায় সিল মেরে তা ভিডিও করে সাংবাদিকদের দেখাচ্ছেন।

পরে বিক্ষোভ ও ‘নৌকা নৌকা’ স্লোগানের মুখে নজরুল ইসলাম মঞ্জু গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.